প্রতিষ্ঠানের মৌলিক দিকসমূহ

  • প্রতিষ্ঠানের নীতি/মটো: শিক্ষার ব্রতে এসো, সেবার তরে বেরিয়ে যাও।
  • প্রতিষ্ঠানের শ্লোগান: গুণগত শিক্ষা, আলোকিত মানুষ গড়ার প্রত্যয়—একটি আদর্শ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান।
  • প্রতিষ্ঠানের আদর্শ: রাজনীতি, নকল ও ধূমপানমুক্ত শিক্ষাঙ্গন।
  • প্রতিষ্ঠানের পতাকা: প্রতিষ্ঠানের পতাকা আয়তাকার, যার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ৩:২। খাকি রঙের পতাকা দুটি ফুলের রঙের নির্দেশক; পতাকার মাঝখানে প্রতিষ্ঠানের বৃত্তাকার প্রতীকের অবস্থান।
  • প্রতিষ্ঠানের প্রতীক/মনোগ্রাম: একটি বৃত্তের কেন্দ্রে খোলা পুস্তক, দুই পার্শ্বে ধানের শীষ এবং শীর্ষে ধারণ করে আছে প্রজ্জ্বলিত লাল অনির্বাণ আলোকে শিখা, যা অনিরুদ্ধ জ্ঞান, সমৃদ্ধি ও প্রগতির প্রতীক।

একাডেমির বিশেষত্ব

  • সু-দক্ষ পরিচালনা পর্ষদ দ্বারা পরিচালিত।
  • আনিসুল হক নবারুণ একাডেমি ক্যাম্পাস পুরোপুরি স্ব-নিয়ন্ত্রিত। 
  • নিরাপদ, নিরিবিলি ও মনোরম পরিবেশে অবস্থিত সৌন্দর্যমণ্ডিত ক্যাম্পাস।
  • একদল নিবেদিতপ্রাণ, মেধাবী, উচ্চশিক্ষিত, দক্ষ ও প্রতিশ্রুতিশীল আদর্শ শিক্ষকমণ্ডলী।
  • প্রত্যেক শ্রেণিকক্ষে পর্যাপ্ত বৈদ্যুতিক পাখা, শিশু-সমৃদ্ধ বেঞ্চ ও যথাযথ আলোর ব্যবস্থা।
  • শরীরচর্চা, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা, নিয়মিত স্কুলে আসা, নির্ধারিত ড্রেস পরিধান করা—এই সকল বিষয়ে অধিক আগ্রহ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রত্যেক সেমিস্টার/সাময়িক পরীক্ষায় প্রতি বিষয়ে ২৫ নম্বর ব্যবহারিক কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত।

প্রতিষ্ঠানের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

  • বৈশ্বিক টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রার (এসডিজি) অন্যতম প্রধান লক্ষ্য—দেশের গুণগত শিক্ষা অর্জনে ভূমিকা রাখা।
  •  জ্ঞানভিত্তিক উপায়ে দেশে দক্ষ, স্বনির্ভর ও নৈতিক গুণাবলিসম্পন্ন তরুণ জনশক্তি তৈরি করা।
  • শিক্ষার্থীদের মধ্যে জ্ঞানক্ষুধা তৈরি করে মানবতার জন্য উপকারী জ্ঞান সৃষ্টি, জ্ঞান সংরক্ষণ ও জ্ঞান বিতরণ করা।
  •  তাদের চারিত্রিক ও মানবিক গুণাবলির বিকাশ ঘটিয়ে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলা।
  •  দেশপ্রেম ও দেশাত্মবোধ জাগ্রত করে নেতৃত্বের গুণাবলির বিকাশ ঘটানো।
  • সুষম ও উদারভিত্তিক শিক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের মেধার পরিপূর্ণ বিকাশ ঘটানো।
  • নিয়মিত পাঠদান ও পাঠগ্রহণ, টিউটোরিয়াল পরীক্ষা গ্রহণ, মূল্যায়ন এবং সমস্যা সমাধানের মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের গৃহ শিক্ষকের ওপর নির্ভরশীলতা হ্রাস করে পরিশ্রমী ও অধ্যবসায়ী হিসেবে গড়ে তোলা।
  • লেখাপড়ার পাশাপাশি ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক কার্যক্রমের মাধ্যমে শিক্ষার্থীর শারীরিক, মানসিক, আত্মিক উন্নয়ন সাধন এবং সৃজনশীলতার বিকাশ ঘটানো।
  •  সর্বোপরি, ভালো ফলাফল অর্জনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীদের একবিংশ শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় অধিকতর যোগ্য করে গড়ে তোলা এবং দেশপ্রেমে উজ্জীবিত হয়ে দেশ ও জাতির কল্যাণে নিজেকে নিয়োজিত করা।